২০২৬ সালের ১ অক্টোবর আয়ারল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাস আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছে। এর মাধ্যমে ডাবলিনে সেখানকার বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য নিজস্ব একটি আবাসিক কূটনৈতিক মিশন হলো।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ডাবলিনের কূটনৈতিক এলাকা বলসব্রিজের আলেকজান্দ্রা হাউসে একটি অস্থায়ী চ্যান্সারি কার্যালয় থেকে দূতাবাসের প্রশাসনিক কাজ শুরু হয়েছে। একই দিন মনোনীত রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ নূরে আলম মিশনের দায়িত্ব নিয়েছেন। যথাসময়ে তিনি আয়ারল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করবেন।
প্রায় ২৫ হাজার বাংলাদেশির জন্য সেবা
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আয়ারল্যান্ডে আনুমানিক ২৫ হাজার বাংলাদেশি নাগরিক বসবাস করেন। নতুন দূতাবাস এই কমিউনিটির সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে কাজ করবে এবং পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশি নাগরিক ও অন্যান্য যোগ্য আবেদনকারীদের পাসপোর্ট, ভিসা ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা দেবে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব সেবা চালুর প্রস্তুতি চলছে। সেবার তারিখ, প্রক্রিয়া ও অন্যান্য তথ্য দাপ্তরিক মাধ্যমে জানানো হবে। ততদিন আবেদনের পরিকল্পনার আগে কমিউনিটির সদস্যদের মন্ত্রণালয় ও দূতাবাসের নিজস্ব ঘোষণার দিকে নজর রাখা উচিত।
আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক
সরকার দূতাবাস চালুকে দুই দেশের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। সরকারের ভাষ্য, মিশনটি কূটনৈতিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক আগ্রহের ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতার জন্য একটি নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্ম হবে। আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিক লাভজনক সম্পর্ক আরও গভীর করার আশাও প্রকাশ করেছে ঢাকা।
কনস্যুলার সেবা চালু হলে ডাবলিনে দূতাবাস থাকায় আয়ারল্যান্ডে বসবাসকারীদের পাসপোর্ট নবায়নের মতো নিয়মিত কাগজপত্রের কাজ সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মুন্সীগঞ্জ ও বৃহত্তর বিক্রমপুরের মানুষও ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশি প্রবাসী সমাজের অংশ। আয়ারল্যান্ডে যাঁরা থাকেন, তাঁদের জন্য নতুন মিশন মানে ডাবলিনে হাতের কাছে বাংলাদেশের একটি দাপ্তরিক কার্যালয় এবং দেশের সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্র।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রস্তুতি শেষ হলে যোগাযোগের উপায়সহ দূতাবাসের সেবা নিয়ে আরও তথ্য প্রকাশ করা হবে।
সূত্র: mofa.gov.bd, en.wikipedia.org