সরকারপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম সফর ছিল ব্যস্ততায় ভরা। নিউইয়র্কে চার দিনে তিনি ৩০টি সরকারি কর্মসূচিতে অংশ নেন, যার মধ্যে ছিল ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং সাধারণ পরিষদ সংশ্লিষ্ট আটটি অনুষ্ঠান।

উন্নয়ন সহযোগী

২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার সঙ্গে বৈঠক করেন। তাঁরা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং জাতীয় প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের সহায়তা বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। একই দিন সকালে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের আয়োজিত স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নেন।

বিনিয়োগ ও বাণিজ্য

জেপি মরগ্যান চেজের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে এক প্রাতরাশ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরেন। তুরস্ক, থাইল্যান্ড, ভুটান, ক্রোয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের নেতা ও মন্ত্রীদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় বাণিজ্য, বিদেশে কর্মসংস্থান, জ্বালানি নিরাপত্তা ও খনিজ খাতে সহযোগিতার বিষয় উঠে আসে।

কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রধানমন্ত্রীকে ভবিষ্যতে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে। লাখো বাংলাদেশি কর্মীর কর্মস্থল উপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হওয়ার ইঙ্গিত এটি।

স্বাস্থ্য ও নারী নেতৃত্ব

২৪ সেপ্টেম্বর বাংলায় দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সংঘাত নিরসনের আহ্বান জানান এবং দেশে আরও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথা বলেন। ডা. জুবাইদা রহমান আটটি উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচিতে অংশ নেন, যার মধ্যে ছিল জাতিসংঘের নারী নেতৃত্ব প্ল্যাটফর্ম এবং মাতৃস্বাস্থ্য ও মিডওয়াইফারি বিষয়ক আয়োজন।

২৭ সেপ্টেম্বর সকালে প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় ফেরেন।