আজঃ বৃহস্পতিবার | ২৩শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

আজঃ বৃহস্পতিবার | ২৩শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ১৫ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি | রাত ১:৩৭

বাংলাদেশে গুজব ছড়াতে ও সাইবার হামলায় একটি রাষ্ট্র প্রাতিষ্ঠানিকভাবে অর্থ বিনিয়োগ করছে

অনলাইন ডেস্ক,
ঢাকাঃ

ঢাকা, ২১ মার্চ ২০২১: বাংলাদেশে গুজব ছড়াতে ও সাইবার হামলায় একটি রাষ্ট্র প্রাতিষ্ঠানিকভাবে অর্থ বিনিয়োগ করছে বলে অভিযোগ করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এ বিষয়ে বেশ কিছু তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণ এরই মধ্যে বাংলাদেশের হাতে এসেছে বলেও জানান তিনি।
সকালে তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিকম সাংবাদিকদের সংগঠন টেকনোলজি মিডিয়া গিল্ড বাংলাদেশ (টিএমজিবি) আয়োজিত ভার্চুয়াল সেমিনারে তিনি এ কথা জানান। পরে এই এই ভার্চুয়াল বৈঠক থেকেই টিএমজিবির অফিশিয়াল ওয়েবসাইট www.tmgb.org আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন জুনাইদ আহমেদ পলক। এসময় তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক তথ্য সংরক্ষণ এবং তা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে একটি ডিজিটাল আর্কাইভ গড়ে তোলা হবে। এই কাজে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার সঙ্গে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে টিএমজিবিকে কাজ করার আহ্বান জানান তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী। পাশাপাশি গুজব প্রতিরোধে সব মহলকেই সচেতন হতে হবে বলেও মন্তব্য করেন জুনাইদ আহমেদ পলক।
‘মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক অনলাইন কনটেন্ট বনাম তথ্যবিভ্রাট ও গুজব বিড়ম্বনা’ শীর্ষক এই ভার্চুয়াল গোলটেবিল আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কনটেন্ট গবেষক অমি রহমান পিয়াল।

তিনি বলেন বুঝে না বুঝে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তি পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নিয়ে নানা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। এ বিষয়ে একটি প্রাতিষ্ঠানিক এবং সর্বজনস্বীকৃত আর্কাইভ গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি বলেও মনে করেন তিনি।
টিএমজিবির আহ্বায়ক মুহম্মদ খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে গুজব প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নানা উদ্যোগ তুলে ধরেন র্যাবের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ। তিনি জানান, কক্সবাজারের রামুসহ বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারীদের চিহ্নিত করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সুনামগঞ্জের শাল্লায় সাম্প্রদায়িক হামলায় পেছনে কারা রয়েছেন তা খতিয়ে দেখছে র্যাব।
আলোচনায় অংশ নেন দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা।——
এতে বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির বলেন, গুজব প্রতিরোধে আমাদের সবচেয়ে বেশি যে কাজটি করতে হবে সেটি হলো সচেতনতা। আমরা যেহেতু ডিজিটাল বাংলাদেশের ডিজিটাল সিটিজেন, তাই আমাদেরকে ডিজিটাল প্লাটফর্মে কী করা উচিত, কী করা উচিত নয় সে সম্পকর্কে সকলের মাঝে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।
বিসিএস সভাপতি শহীদ-উল-মুনির লেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়টা সকল রাজনৈতিক বিষয়ের উর্দ্বে। আমরা যে রাজনৈতিক মতাদর্শের হই না কেনো মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে আমাদের সকলের আবেগ জড়িত। তাই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যাতে কোনো বিভ্রান্তিমূলক তথ্য না ছড়ায়, তার জন্য সরকারিভাবে এ সম্পর্কিত সকল দলিলাদি সংগ্রহ করে আর্কাইভ করে রাখা উচিত।

বাংলাদেশ উইমেন ইন টেকনোলজি (বিডব্লিউআইটি) এর সভাপতি অধ্যাপক ড. লাফিফা জামাল বলেন, আমাদের লিবারেশন ওয়্যার নামে সরকারি ওয়েবসাইট রয়েছে। তবে সেটি এখনও সমৃদ্ধ নয়। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের ইতিহাস সঠিকভাবে ক্যাপশন এবং ওয়াটারমার্কের মাধ্যমে উক্ত ওয়েবসাইটে সমৃদ্ধ করা উচিত। তিনি আরও জানান, মুক্তিযুদ্ধে বীরাঙ্গনা নারীদের ইতিহাস তুলে ধরতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহায়তায় কাজ করবে বিডব্লিউআইটি।
এশিয়া প্যাসিফিক নেটওয়ার্ক ইনফরমেশন সেন্টার (এপনিক) এর নির্বাহী কমিটির সদস্য ও পলিসি চেয়ার সুমন আহমেদ সাবির বলেন, মুক্তিযুদ্ধের দলিলগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকার কারণে বিভ্রান্তি ও তথ্যবিভ্রাটের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তাই এগুলো একটি জায়গায় ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে রাখা প্রয়োজন। একইসাথে আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলো মতো আমাদের মিডিয়াগুলোকে বিভিন্ন বিভ্রান্তিমূলক ইস্যুতে ফ্যাক্ট চেকিং বিশ্লেষণে নজর দেয়া উচিত।
বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) এর সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান বলেন, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের সঠিক ইতিহাস সবার কাছে উন্মুক্ত করা উচিত। এসব দলিলগুলো সাধারণ লাইসেন্সের আওতায় এনে অধিকভাবে ছড়িয়ে দিতে পারলে আগামী প্রজন্ম সঠিক ইতিহাস সহজেই খুঁজে পাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ফোর্ডহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার এবং তথ্যবিজ্ঞান বিভাগ সহকারী অধ্যাপক (ডাটা সায়েন্স) ড. রুহুল আমিন বলেন, গুজব প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়। তাই এটি প্রতিরোধে একটি সিস্টেম ডেভেলপ তৈরি করা উচিত। এছাড়া দেশের ইতিহাস নিয়ে যাতে কোনো গুজব তৈরি না হয় সেজন্য দেশের ইতিহাস সম্পর্কিত সকল দলিল এক জায়গায় আর্কাইভের মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোসিং (বাক্কো) এর সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন বলেন, দেশের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে সকল সংগঠনকেই কাজ করতে হবে। সার্চ ইঞ্জিনে যাতে সঠিক তথ্য আগে আগে সেজন্য মেটাডেটা ও সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে গুরুত্ব দিতে হবে। বাক্কোর পরবর্তী বিপিও সামিটে মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের তথ্য তুলে ধরতে বিশেষ আয়োজন থাকছে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন টিএমজিবির ট্রাস্ট্রি সদস্য ও ইন্টারনেট সোসাইটি বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কাওছার উদ্দীন, টিএমজিবির ট্রাস্ট্রি সদস্য আরাফাত সিদ্দিকী সোহাগ, মাসুদ রুমি, আল আমিন দেওয়ানসহ সংগঠনটির সদস্যবৃন্দ।

প্রিয় মহাকালীবাসী, আস্সালামুআলাইকুম...আমি ডাঃ নাজমুল ইসলাম (হৃদয়), পিতাঃ রিয়াজুল ইসলাম বিরাজ (বীর মুক্তিযোদ্ধা), চেয়ারম্যান মহাকালী ইউনিয়ন পরিষদ, মাতাঃমেহেরুন্নেসা নাজমা দুইবারের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ। আমার স্ত্রী ডাঃ ইসরাত জাহান মোগল। আমার বাবা একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। আমিও গত ২বছর যাবৎ স্কয়ার হসপিটালে করোনা ইউনিটের একজন সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।এখন আমি নিজেকে আপনাদের সেবায় নিয়োজিত করার উদ্দেশ্যে আগামী ইউপি নির্বাচনে -২০২১ একজন স্বতন্ত্রপ্রার্থী। আপনাদের সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করছি। আল্লাহ হাফেজ।
ডাঃ নাজমুল ইসলাম
চেয়ারম্যান পদপর্থী