আজঃ বৃহস্পতিবার | ২৩শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

আজঃ বৃহস্পতিবার | ২৩শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ | ১৫ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি | রাত ৩:১৫

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজের টিকিট কোথায় পাবেন, দাম কত?

নিজস্ব প্রতিবেদক,
ঢাকাঃ

২০২০ সালের মার্চে জিম্বাবুয়ে সিরিজে সর্বশেষ দর্শকরা মাঠে ঢুকতে পেরেছিলেন। আবার সেই সুযোগ পাওয়া গেলো পাকিস্তান সিরিজে।

সময়ের হিসেবে প্রায় ৬১৮ দিন কেটে গেছে। ততদিন খালি মাঠেই ক্রিকেট খেলতে হয়েছে ক্রিকেটারদের। আগামী ১৯ নভেম্বর পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে তাই দর্শক খরা কাটছে মিরপুর শেরে বাংলায়।

আগামী ১৯ নভেম্বর প্রথম ম্যাচটি মাঠে গড়াবে। ওই ম্যাচের জন্য আগামী বৃহস্পতিবার থেকে টিকিট কেনার সুযোগ পাবেন আগ্রহী দর্শকরা। বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়াম সংলগ্ন বুথে আগ্রহীরা টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। এ ছাড়া ম্যাচের দিন যদি টিকিট পর্যাপ্ত থাকে, তাহলে স্টেডিয়াম সংলগ্ন বুথে (এক নম্বর গেট সংলগ্ন) বিক্রি করা হবে। তবে শর্ত হলো করোনা টিকা নিয়েছেন, কেবল তারাই খেলা দেখার সুযোগ পাবেন।

ঢাকার টি-টোয়েন্টির জন্য পাঁচটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে টিকিট পাওয়া যাবে। সেগুলো হলো- গ্র্যান্ড স্ট্যান্ড, ভিআইপি স্ট্যান্ড, ক্লাব হাউজ, সাউদার্ন/নর্দার্ন স্ট্যান্ড ও ইস্টার্ন স্ট্যান্ড। এসব ক্যাটাগরির টিকিটের দাম পড়বে যথাক্রমে ১০০০, ৫০০, ৩০০, ১৫০ ও ১০০ টাকা। টেস্টে এই টিকিটের দাম একটু কমে যাবে।

বিসিবির প্রধান নির্বাহী বলেছেন, ‘কালকে (বৃহস্পতিবার ইনডোরে সোহরাওয়ার্দীতে টিকিট পাওয়া যাবে। কোন ব্যাংকে পাওয়া যাবে না। লিমিটেশনের ৫০ ভাগ টিকিট আমরা ছাড়ছি। ম্যাচ ডেতে শেরে বাংলার বুথেও পাওয়া যাবে, যদি পর্যাপ্ত থাকে। টিকিটের দাম ১০০০, ৫০০, ৩০০, ১৫০ ও ১০০ টাকা।’

টিকা গ্রহীতারা অগ্রাধিকার পেলেও অভিভাবকদের সঙ্গে ১২ বছরের নিচের শিশুরাও মাঠে আসার সুযোগ পাবে। এ প্রসঙ্গে সুজন বলেছেন, ‘চেষ্টা করা হবে যারা এরই মধ্যে করোনার দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার। এর বাইরে শিশুদের মাঠে যাবার বিষয়েও নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। যেহেতু বাংলাদেশে ১২ বছরের নিচে টিকা দেওয়া হয়নি, তাই অভিভাবকদের সঙ্গে তাদের মাঠে আসায় কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকবে না।’

প্রিয় মহাকালীবাসী, আস্সালামুআলাইকুম...আমি ডাঃ নাজমুল ইসলাম (হৃদয়), পিতাঃ রিয়াজুল ইসলাম বিরাজ (বীর মুক্তিযোদ্ধা), চেয়ারম্যান মহাকালী ইউনিয়ন পরিষদ, মাতাঃমেহেরুন্নেসা নাজমা দুইবারের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ। আমার স্ত্রী ডাঃ ইসরাত জাহান মোগল। আমার বাবা একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। আমিও গত ২বছর যাবৎ স্কয়ার হসপিটালে করোনা ইউনিটের একজন সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।এখন আমি নিজেকে আপনাদের সেবায় নিয়োজিত করার উদ্দেশ্যে আগামী ইউপি নির্বাচনে -২০২১ একজন স্বতন্ত্রপ্রার্থী। আপনাদের সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করছি। আল্লাহ হাফেজ।
ডাঃ নাজমুল ইসলাম
চেয়ারম্যান পদপর্থী