২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে ছয়জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বৈধ হয়েছে। ২৯ সেপ্টেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তা বাছাইয়ের ফল ঘোষণা করেন।

আসন শূন্য হওয়ার কারণ

ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী নিয়ে ঠাকুরগাঁও-১ আসন। এই আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আগস্টে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব নেওয়ায় আসনটি শূন্য হয়।

প্রার্থীরা

যে ছয়জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে:

  • মির্জা ফয়সাল আমিন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), রাষ্ট্রপতির ছোট ভাই;
  • ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, জেলা বিএনপির সহসভাপতি;
  • দেলাওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী;
  • মো. আবদুল আলিম নিজামী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন;
  • মো. খাদেমুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ;
  • হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক, বাংলাদেশ কংগ্রেস।

রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

সময়সূচি ও ভোটার

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত আপিল করা যাবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৭ অক্টোবর এবং প্রতীক বরাদ্দ হবে ৮ অক্টোবর।

আসনটিতে নিবন্ধিত ভোটার ৫ লাখ ১৫ হাজার ৫২৫ জন। তাঁরা ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের ৯৮৯টি কক্ষে ভোট দেবেন। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ডাকযোগে ভোটের নিবন্ধন শুরু হয়েছে।

তাৎপর্য

ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর ৩০০ আসনের সংসদে বিএনপির আসন ২৪৬টি, আর প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর ৭৬টি। জাতীয় নাগরিক পার্টির আসন আটটি, বাকি আসন ছোট দলগুলো ও স্বতন্ত্র সদস্যদের। সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন, আর কোনো সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি হলে তাঁকে আসন ছাড়তে হয়। এ কারণেই উপনির্বাচন প্রয়োজন হয়েছে।

আসনটি ছিল মির্জা ফখরুলের, যিনি রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে বিএনপির মহাসচিব ছিলেন। ফলাফলে সংসদের ভারসাম্যে পরিবর্তন আসবে না, কারণ সেখানে বিএনপির বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। তবে আগামী মাসগুলোতে পরিকল্পিত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে দলগুলো একে সাংগঠনিক শক্তির প্রাথমিক পরীক্ষা হিসেবে দেখছে।

সূত্র: ecs.gov.bd, en.wikipedia.org, en.wikipedia.org