কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে দেশের প্রথম জাতীয় বিজনেস সামিট আজ ৫ নভেম্বর ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
"বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট ২০২৬" যৌথভাবে আয়োজন করছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। এবারের প্রতিপাদ্য "AI-fication for Tomorrow's Economy", যার তিনটি ভিত্তি মানুষ, ব্যবসা ও বুদ্ধিমত্তা।
আয়োজনে আছে উদ্বোধনী অধিবেশন, তিনটি থিমভিত্তিক অধিবেশন এবং একটি বিটুবি ম্যাচমেকিং সেশন, যেখানে প্রতিষ্ঠানগুলো সম্ভাব্য অংশীদারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারবে। পাশাপাশি প্রায় ১৫০টি স্টল নিয়ে চলছে "এআই বিজনেস এক্সপো"। ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবকেরা তাঁদের প্রকল্প তুলে ধরছেন।
আয়োজকেরা জানিয়েছেন, উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ও ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বক্তাদের মধ্যে আছেন।
সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য এর গুরুত্ব কী? পোশাক রপ্তানিকারক থেকে ছোট অনলাইন দোকান পর্যন্ত অনেক প্রতিষ্ঠান এখনই ডিজাইন, গ্রাহকসেবা ও হিসাবের কাজে এআই ব্যবহার করে দেখছে। ব্যবসায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় ও নীতিনির্ধারকদের এক জায়গায় আনলে কঠিন প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজা সহজ হয়: কর্মীদের কী দক্ষতা লাগবে, গ্রাহকের তথ্য কীভাবে সুরক্ষিত থাকবে, আর দেশি স্টার্টআপ কোথায় প্রতিযোগিতা করতে পারে।
মুন্সীগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলার তরুণদের জন্য বার্তা স্পষ্ট। এআই দক্ষতা এখন আর শখের বিষয় নয়, ধীরে ধীরে চাকরির সাধারণ যোগ্যতায় পরিণত হচ্ছে। জাতীয় এক্সপোতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প দেখা যাওয়া মানে দেশে দক্ষ জনশক্তি তৈরির পথ খুলছে।
সামিটের গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা নিয়ে আমরা পরে বিস্তারিত জানাব।